রবিবার ২২ মার্চ ২০২৬

৭ চৈত্র ১৪৩২

ই-পেপার

dainik bangladesh

প্রিন্ট সংস্করণ

জানুয়ারি ৩০,২০২৬, ১০:২৫

সুস্থতা

পাওয়ার ন্যাপ কেন জরুরি, দিনের কোন সময় এবং কারা নেবেন

ব্যস্ত জীবন আর কাজের চাপে দুপুরের দিকে শরীর ও মস্তিষ্ক যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন এক চিলতে ঘুম যেন পরম পাওয়া। একেই বলে ‘পাওয়ার ন্যাপ’। মাত্র কয়েক মিনিটের এই ঘুম আপনার কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে বহুগুণ। কিন্তু পাওয়ার ন্যাপ নেওয়ার সঠিক নিয়ম না জানলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

​পাওয়ার ন্যাপের আদর্শ সময়

পাওয়ার ন্যাপের মূল মন্ত্র হলো এটি হবে ছোট কিন্তু গভীর।

১০ থেকে ২০ মিনিট

পাওয়ার ন্যাপের জন্য এটিই সবচেয়ে আদর্শ। একে বলা হয় ‘সুপার পাওয়ার ন্যাপ’। এটি আপনাকে তাৎক্ষণিক সতেজ করে। ঘুম থেকে ওঠার পর কোনো জড়তা থাকে না।

৩০ মিনিট

আধা ঘণ্টা ঘুমালে অনেকের ‘স্লিপ ইনার্শিয়া’ বা ঘুম ঘুম ভাব তৈরি হতে পারে, যা কাটাতে আরও সময় লাগে।

৬০ থেকে ৯০ মিনিট

যদি আপনার হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকে, তবে ৯০ মিনিটের একটি পূর্ণাঙ্গ ‘স্লিপ সাইকেল’সম্পন্ন করতে পারেন। এটি সৃজনশীলতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

দিনের কোন সময়

পাওয়ার ন্যাপ নেওয়ার সেরা সময় হলো বেলা একটা থেকে তিনটা। দুপুরের খাবারের পর আমাদের শরীরের শক্তির মাত্রা কিছুটা কমে যায়, তাই এই সময় ন্যাপ নিলে সেটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। বিকেল চারটার পর ন্যাপ না নেওয়াই ভালো, কারণ, এতে রাতের স্বাভাবিক ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

যাঁদের জন্য ভালো

অফিস কর্মী

যাঁরা দীর্ঘ সময় একনাগাড়ে কাজ করেন এবং দুপুরের পর মনোযোগ হারিয়ে ফেলেন।

শিক্ষার্থী

পড়াশোনার চাপ বা পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে এটি সহায়ক।

শিফট ওয়ার্কার

যাঁরা রাতে কাজ করেন বা যাঁদের কাজের সময় নির্দিষ্ট নয়।

ড্রাইভার

দীর্ঘ পথ গাড়ি চালানোর সময় ক্লান্তি দূর করতে এবং দুর্ঘটনা এড়াতে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের ন্যাপ জীবন রক্ষাকারী হতে পারে।

যাঁদের জন্য খারাপ বা এড়িয়ে চলা উচিত

ইনসমনিয়া বা অনিদ্রার রোগী

রাতে যাঁদের ঘুমের সমস্যা হয়, তাঁদের দিনের বেলা ঘুমানো একদমই উচিত নয়। এতে রাতের সমস্যা আরও প্রকট হয়।

স্লিপ অ্যাপনিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি

ঘুমের মধ্যে যাঁদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে দিনের অনিয়মিত ঘুম শরীরের ওপর চাপ ফেলতে পারে।

তীব্র অবসাদগ্রস্ত ব্যক্তি

যদি কেউ সারাক্ষণ ক্লান্ত বোধ করেন, তবে পাওয়ার ন্যাপের বদলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ, এটি অন্য কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

আপনার মতামত জানান :

মন্তব্য করতে লগইন করুন. লগইন

(0)টি মন্তব্য

কেউ মন্তব্য করেনি :)