রবিবার ০৮ মার্চ ২০২৬

২৪ ফাল্গুন ১৪৩২

ই-পেপার

Mohammed Suman

প্রিন্ট সংস্করণ

মার্চ ০৬,২০২৬, ১১:১৮

কালজয়ী ৭ই মার্চ ও বঙ্গবন্ধুর ভাষন

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির অংগনে  হাতে ক্ষড়ি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের। বঙ্গবন্ধু  তার রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য,  বক্তৃতা, সভা সমাবেশ ও সেমিনারে অংশ নিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু  ছিলেন  একজন  বিচক্ষণ ও প্রাজ্ঞ  রাজনীতিক। তিনি জনগন ও শাসকশ্রেনীর নাড়ির স্পন্দন বুঝতেন। ফলে জনগনের সাথে তার যোগাযোগের দক্ষতা ছিলো অনবদ্য, এককথায় তিনি মিশে যেতেন মাটি ও মানুষের সাথে। সমগ্র দেশের মানুষ তার কথা গুলো সহজ ও সাবলীল ভাবে বুঝে নিতে পারতো ফলে সমগ্র দেশের মানুষের একমাত্র বাতি ঘর হয়ে উঠেন শেখ মুজিবুর রহমান।  পহেলা মার্চ ১৯৭১ সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার পরে তিনি ও তার দলের নেতা কর্মীরা বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েন ৭ তারিখের ভাষণের  ব্যাপারে।  অনেকেই বঙ্গবন্ধুকে  অনুরোধ করেন  লিখিত বক্তব্য দেবার জন্য। কিন্তু জাতির জনক শেখ মুজিব তাঁর সিন্ধান্তে অটল ছিলেন, ড.কামাল হোসেনকে ডেকে তিনি বলেন,  “আমি কোন লিখিত বক্তব্য দেবো না, আমি বক্তব্য দেবো আমার মতো করেই”।

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের সাথে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেন, বৈঠক করেন ছাত্রনেতাদের সাথেও।  তারা বঙ্গবন্ধুকে সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে বলেন। তাদের কথা বঙ্গবন্ধু মনোযোগ দিয়েন শুনলেও তিনি প্রতিবারের মতোই এবারও অটল ছিলেন তার সিন্ধান্তে। 

মঞ্চে উঠে বঙ্গবন্ধু চিরাচরিত ভঙ্গিতে, "ভায়েরা আমার” সম্বোধনের মাধ্যমে উচ্চারিত করেন জাতির কাছে  তার মুক্তির ও স্বাধীনতার অমর মহাকাব্যিক আগ্নিঝড়া বক্তৃতা।  ১৮ মিনিটের মোট ১১০৮ টি শব্দের সেই মহাকাব্যের মাঝেই ছিলো একটি জাতির জন্য নির্দেশনা ও স্বাধীনতা,  যা ইতিহাসে বিরল ভাষন গুলোর মধ্যে একটি। 

১০ লক্ষ মানুষের মহাসমুদ্রে বইছে তখন স্বাধীনতার উত্তাল ঝড়, সেই ঝড়ে দক্ষ নাবিকের ভূমিকায় প্রতি  মিনিটে ৪৮-৫০ শব্দে ১৮ মিনিটে ১১০৮ শব্দ উচ্চারন করে  জাতিকে দিয়েছিলেন একটি স্বাধীন মানচিত্র ও নিজস্ব পতাকা।  

বঙ্গবন্ধু মাটি ও মানুষের নেতা,  তাই তার ভাষনেও মাটি ও মানুষের ভাষা লক্ষ করা যেতো। প্রমিত বাংলায় দেওয়া সেই ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি ফুটিয়ে তুলেন  দীর্ঘদিনের শোষণ-বঞ্চনার ইতিহাস, সমসাময়িক হত্যাকান্ডের কথা,  রাজনৈতিক দ্বিধা-দন্ধ এবং বাংলার মানুষের স্বাধীনতা পাওয়ার স্পৃহা। ভাষা ব্যাবহারে রুচিশীল ও চৌকস বংগবন্ধু এমন কোন ভাষার ব্যাবহার করেন নি যা পাকিস্তানীদের ক্রোধের কারন হয়ে উঠতে পারে। তিনি এই কালজয়ী ভাষণে শব্দের ব্যাবহার এমনভাবে করেন নি যাতে মনে হতে পারে তিনি সরাসরি সশস্ত্র সংগ্রাম বা আন্দোলনকে উস্কে দিচ্ছিলেন। ৭ই মার্চের ভাষণে শব্দের ছন্দের   একটি গুরুত্বপূর্ন  দিক হচ্ছে ভাষণটিতে একটি সুনিদৃষ্ট প্রবাহে কথা বলা হয়েছে। প্রথম দিকে ইতিহাস,  মাঝের দিকে অত্যাচার ও অন্যায়ের কথা এবং হুশিয়ারির সাথে সাথে আলোচনার আহব্বান আর শেষের দিকে জনগনের প্রতি দিক নির্দেশনা ছিলো ভাষনটির চৌকসতা। ৭ই মার্চে রেসকোর্সের ভাষণের পরে নিউইয়র্কের দ্যা নিউজউইক ম্যাগাজিন - ৫ ই এপ্রিলে প্রকাশিত সংখ্যায় বঙ্গবন্ধুকে "poet of politics" বা রাজনীতির কবি বলে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। 

৭ ই মার্চের ভাষণকে গভীর ভাবে বিশ্লেষণ করলে এর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিকটি সমান্তরাল ভাবে চোখে পড়ে, শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু সেদিন ভাষণটি দেননি ,  তিনি ভাষণটি দিয়েছিলেন সত্যিকার জাতির পিতার আদলে।  বাঙ্গলাদেশের ৭ কোটি মানুষ সেদিন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে কেন্দ্র করে মুক্তির স্বপ্ন দেখতে পেরেছিল। তাঁর সেদিনের প্রতিটি বাণী ও বানীর উপস্থাপন ছিল বাঙ্গালীর আশা- আকাঙ্খারই প্রতিফলন। দেশের মানুষ সেদিন জরো হয়েছিলেন যেনো ঠিক এই কথাগুলো ঠিক এইভাবেই শুনতে। 

আওয়ামী লীগের অনেক বর্ষীয়ান কিন্তু অদূরদর্শী ও সুবিধাভোগী নেতা সেদিন বঙ্গবন্ধুকে পর্রামশ দিয়েছিলেন সরাসরি স্বাধীনতা বা বিচ্ছিন্নতার ডাক দেওয়ার জন্য।  তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ডাকসুর ভিপি ও জিএস এ চার জনের সাথে বৈঠক হবার পর সবাই বঙ্গবন্ধুকে সরাসরি স্বাধীনতার ডাক দেবার আহব্বান জানান। কেউ কেউ বলেন স্বাধীনতার ডাক না শুনে জনগন বাড়ি ফিরবে না। বঙ্গবন্ধু এ ধরনের পরার্মশে খানিকটা বিরক্ত ও বিব্রত  হন। কারন ইতোমধ্যে  ইয়াহিয়া খান টেলিফোনে সরাসরি তাকে জানিয়েছিলেন, "তিনি যেন পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার কথা না তোলেন তার ভাষণে,  যদি তোলেন তবে পরিনাম খারাপ হবে"। 

সামরিক আমলাদের জনসংযোগ কর্মকর্তা মেজর সাদিক শালিক তার বই," উইটনেস টু সারেন্ডার" এ উল্লেখ্য করেন সেদিন ৭ ই মার্চ ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের জিওসি রেসকোর্সের ময়দানের চারদিকে সশস্ত্র সেনাবাহিনী মোতায়েন করেন এবং উঁচু উঁচু ছাদে মেশিনগান ফিট করে রেখেছিলেন, যাতে শেখ মুজিব বিচ্ছন্নতার ঘোষণা করার সাথে সাথে মুজিব ও তার লোকজনের উপর বিচ্ছিন্নতাবাদের অভিযোগ এনে হামলা ও হত্যা করা যায়।  বঙ্গবন্ধু এসব কিছু আঁচ করতে পেরেছিলেন অনেক আগেই,  তাই তিনি অনেক অনেক ভেবে চিন্তে তার অমর ভাষণটির মাঝেই নির্দেশনার বার্তা দিয়েছিলেন।  ভাষণে মূলত চারটি দাবি উপস্থাপন করা হয় -

★মার্শাল - ল -প্রত্যাহার। 

★সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।

★রাজনৈতিক হত্যাকান্ড গুলোর বিচার,বিভাগীয় তদন্ত।

★নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।  

তিনি বলেন,  "দাবি পূরণের পরে আমরা ভেবে দেখবো এ্যাসেম্বিলিতে বসব কিনা "।  এ ধরনের কথা  ভাষণে উচ্চারণ করে একদিকে বঙ্গবন্ধু আলোচনার পথ খোলা রাখলেন এবং ভাষণ পরবর্তী সৃষ্ট স্বায়ত্তশাসন বা স্বাধীনতার দাবির পক্ষে  আন্দোলন থেকে দেশের মানুষকে দোষারোপরে হাত থেকে তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় বাঁচিয়ে নিলেন। তাই তার ভাষণ থেকে শেষ নির্দেশনা পাবার পরে জনগন স্বাধীনতার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে, সুসংগঠিত হতে শুরু করে।  একারণেই তিনি বলেছিলেন “তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুস্ত থেকো”।

তিনি একই সাথে উচ্চারণ করলেন "আমরা ভাতে মারবো, পানিতে মারবো " - অর্থাৎ দাবি মানার জন্য ইয়াহিয়া খানের প্রতিও চাপ তৈরী করে রাখেন । বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ নেতৃবর্গের কয়েকদিন আগে করা সংসদীয় বৈঠকে সিন্ধান্ত গ্রহন করা হয় যে শাসনতন্ত্র প্রণয়ণের সময় বিরোধী পক্ষের কেউ যদি নায্য দাবী করে তারা সেই দাবী মেনে নেবে। ৭ই মার্চের ভাষণেও বঙ্গবন্ধু সে কথার পুনরাবৃত্তি করেন, এতে তার এবং আওয়ামী লীগের সহনশীলতার দিকটি উম্মোচিত হয়।  বিশ্ব দরবারে বঙ্গবন্ধু একজন উদারপন্থী নেতা হিসাবে পরিচিতি পান । বঙ্গবন্ধু ভিয়েতনাম, তিব্বতসহ অন্যান্য দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শিক্ষা গ্রহন করেছিলেন; দেশের প্রধান নেতা হিসাবে সরাসরি বিচ্ছিন্নতার ডাক দিলে সেটি বিরোধীদের কাছে উপযুক্ত কারন হয়ে দাঁড়াতে পারতো আন্দোলন দমন করার এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আইনগত ভাবে গ্রেফতার ও শাস্তিপ্রদানের ক্ষেত্রে। এছাড়াও বিশ্বে বঙ্গবন্ধু পরিচিতি পেতেন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হিসেবে, তাছারা আমলা দেশ ও জাতিসংঘের কাছ থেকে স্বাধীনতার পক্ষে সহমর্মিতা ও সহযোগীতা পাওয়া কঠিন হয়ে যেতো।

ভাষণের পরের দিন পাকিস্তান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI) এর সদরদপ্তরে রির্পোট জমা হয়।  রিপোর্টে বলা হয়,  চতুর শেখ মুজিব, চতুরতার সাথে বক্তৃতা করে গেলেন।  একদিকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন,  আবার অন্যদিকে বিচ্ছিন্নতাবাদী হবার দায়িত্বও নিলেন না।  নীরব দর্শকের ভূমিকা ছাড়া আমাদের কিছুই করার ছিলো না ।

৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে যে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হয় হয় তা অতন্ত্য স্বাচ্ছন্দে স্বীকার করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। মেজর জিয়া, তার   লেখা/স্মৃতিচারণ: মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে  সংকলিত প্রবন্ধ Bangladesh A New Nation - “Under the leadership of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the Bengali nation united for independence.” ও সাপ্তাহিক বিচিত্রা-১৯৭৪ এ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিারণ করতে গিয়ে লেখেন - “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বেই বাঙালি জাতি স্বাধীনতার পথে অগ্রসর হয়।

৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের জন্য ছিল স্বাধীনতার সবুজ সংকেত বা Green Signal. বঙ্গবন্ধুর আহ্বানেই সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ নিতে বাধ্য হয়েছিল। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের জন্য ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা।”   

পাকিস্তানীদের ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানা দেখে আওয়ামী লীগের নেতৃবর্গ বুঝতে পেরেছিলো কোনভাবেই আওয়ামী লীগকে জাতীয় পরিষদে সরকার গঠন করতে দেবে না পশ্চিমারা।  দেশের সাধারণ জনগোষ্ঠী দিশেহারা হওয়া শুরু করে।  নির্বাচনে বিজয়ী দল হিসাবে আওয়ামী লীগ সরাসরি স্বাধীনতার ডাক দিতেও পারছিলোনা  আবার পাকিস্তানীদের ষড়যন্ত্র মুখ বুঝে সহ্য করাও দুর্বিষহ হয়ে পরেছিল। আর ঠিক এই কারণেই আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ৭ই মার্চে একটি রাজনৈতিক দূরদর্শী সম্পন্ন নির্দেশনা মূলক ভাষণ দেবার সিন্ধান্ত নেন।  ভাষণের শেষের দিকে ছিলো তার স্বাধীনতার নির্দেশনা মূলক বার্তা।  তিনি অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিলেন।  কোর্ট কাচারি, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত অনিদির্ষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করলেও খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষদের যাতে অসুবিধা না হয়, সে কারণে রিক্সা -ভ্যান, গরুর গাড়ি, রেল, লঞ্চ, চলাচলের অনুমতি দিলেন।  ২৮ মার্চ সব সরকারি চাকুরিজীবিদের বেতন নিয়ে আসতে বললেন।  গনযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি পাকিস্তানিরা আধিপত্য বিস্তার করে তাহলে সেখানে চাকুরিরত বাঙ্গালী অফিসারদের অফিস বয়কট করার নির্দেশ দিলেন।  দেশী- বিদেশী  গনমাধ্যমগুলোকে সঠিক খবর প্রকাশ করার উদ্দাত্ত আহব্বান জানালেন , এভাবে তিনি সামরিক সরকারের উপরে চাপ সৃষ্টি করে রাখলেন। 

আওয়ামী লীগের নেতাদের রিলিফ কমিটি ও সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলার নির্দেশনা প্রদান করেন যা যুদ্ধ যে অনিবার্য তার  ইঙ্গিত বহন করে।  অসাম্প্রদায়িক আর্দশে  বিশ্বাসী শেখ মুজিব তার  ভাষণের শেষদিকে অসাম্প্রদায়িকতাকে  খুব স্পষ্ঠ ভাবে ফুটিয়ে  তুলেন  এই উক্তিতে, “এই বাংলায় হিন্দু-মুসলমান, বাঙ্গালী -অবাঙ্গালী যারা আছে তারা আমাদের ভাই।  তাদের রক্ষার দ্বায়িত্ব আপনাদের ওপর"।  

৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রের জনস্রোতে স্বাধীনতা কামনার উচ্ছাস্বে প্রভাবিত হয়ে কবি নির্মলেন্দুগুন জাতির জনকের স্বৃতি রক্ষায় লিখেছিলেন তার বিখ্যাত কবিতা - একটি কবিতা পড়া হবে, তার জন্যে কী ব্যাকুল প্রতীক্ষা মানুষের, “কখন আসবে কবি?  কখন আসবে কবি? "

শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে,

রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে

অতঃপর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন।  

তখন পলকে দারুন ঝলকে তরীতে উঠিল জল,

হৃদয়ে লাগিল দোলা, জনসমুদ্রে জাগিলো জোয়ার,

সকল দূয়ার খোলা।

কে রোধে তাঁহার বজ্রকন্ঠ বাণী?  

গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁহার অমর কবিতাখানি- 

"এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,

এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম " 

সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের। 

নিউজউইক ম্যাগাজিন -মেজর জিয়ার প্রবন্ধ, ও কবি নির্মলেন্দুগুনের কবিতা ও ইউনোস্কোর বিশ্ব প্রামন্য ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা প্রমান করে যে ৭ ই মার্চের ভাষণটিই ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার  ঘোষণা ও মিমাংসীত সত্য।

আপনার মতামত জানান :

মন্তব্য করতে লগইন করুন. লগইন

(0)টি মন্তব্য

কেউ মন্তব্য করেনি :)