মঙ্গলবার ০৩ মার্চ ২০২৬

১৮ ফাল্গুন ১৪৩২

ই-পেপার

Mohammed Suman

প্রিন্ট সংস্করণ

মার্চ ০২,২০২৬, ০১:০৭

জুলাই সন্ত্রাস ও পুলিশ হত‍্যা; সালাউদ্দিন আহমেদ কি ড. ইউনুসের পথেই হাঁটছেন?

জুলাই সন্ত্রাস ও পুলিশ হত‍্যা; সালাউদ্দিন আহমেদ কি ড. ইউনুসের পথেই হাঁটছেন? 

 

২০২৪ সালের জুলাই মাস, বাংলাদেশ এক ভয়াবহ রাজনৈতিক উত্তাপের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল চরম উগ্রপন্থীদের ম্যাটিকূল্যাস ডিজাইনের স্বীকার হয়ে।  সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোটা সম্পর্কে ভূল প্রোপাগান্ডা তৈরি করে একদল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জঙ্গী মৌলবাদীরা রাস্তায় নামাতে সক্ষম হয়। সরকার উচ্ছেদের আন্দোলনকে বাস্তবে রুপ দেবার জন্য,  শুরুটা কোটা আন্দোলনের নামে হলেও এটি যে একটি ভয়ংকর ম্যাটিকুল্যাস ডিজাইনের অংশ ছিলো সেটা দেশের জনগন জানতে পারে অবৈধ আন্দোলনের মধ্যমনি ড.ইউনূস যখন সয়ং মাস্টারমাইন্ডের পরিচিতি তুলে ধরেন। তিনি জাতিসংঘ সম্মলনে দেশ ধ্বংসের মাস্টারমাইন্ড কে পরিচয় করিয়ে দেন বিশ্ববাসীর সামনে। 

জুলাই-আগস্টের ধ্বংসাত্মক আন্দোলন প্রথম দিকে জনগন আঁচ না করতে পারলেও, এর ভয়াবহতা ও পরিনতি সম্পর্কে  তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বারংবার জাতিকে সর্তক বানী দিলেও জনগন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সতর্কবাণীতে কালক্ষেপণ না করে এরকম হুজুগে পরেই সো কল্ড আন্দোলনের সমর্থনে পথে নেমে আসে। আমরা যে জাতিগত ভাবেই হুজুগে সেটা আবারও প্রমাণিত হয়। 

সত‍্যকে প্রতিষ্ঠিত করে জুলাই আন্দোলন আজ জাতির কাছে জুলাই সন্ত্রাস নামে পরিচিতি লাভ করেছে। জুলাই সন্ত্রাসী আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের প্রশিক্ষিত জঙ্গীরা পরিকল্পিত ভাবে উগ্র মনোভাব দেখাতে শুরু করে।  তারা কখনো ব্লকেডের নামে রাস্তা বন্ধ করে নাগরিকদের জরুরী সেবা থেকে বঞ্চিত করে, আবার কখনো প্রগতি শীল ছাত্রদের উপর পেশী শক্তির প্রর্দশন দেখাতে থাকে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা সরকারী স্থাপনা ভেঙ্গে রাষ্ট্রযন্ত্রকেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করে। মিডিয়া, এমনকি মিডিয়াকর্মীদের উপরও ওদের ধ্বংসাত্মক আক্রমণ লক্ষ্যণীয় হয়। চরম বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে   তাদের ম্যাটিকূল্যাস ডিজাইন কাজ করতে শুরু করে। 

রাষ্ট্রীয় আইনের তোয়াক্কা না করে জংগীরা চরাও হয় নিয়ম-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সাধারন পুলিশের ওপর। সারা বিশ্বেই পুলিশের কর্তব্য হলো আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা ও বিশৃঙ্খল পরিবেশকে নিবৃত করে নাগরিকদের স্বাভাবিক পরিবেশ উপহার দেওয়া। নির্মম সত্য হলো 

এই জুলাই জংগীরা পুলিশের ওপর শুরু করে পৈশাচিক নির্যাতন যেটা শৃঙ্খলার কাঠামো ভেঙে ফেলে তৈরি করে এক মব রাজ্যে। 

জুলাই সন্ত্রাসীদের এমন অবিশ্বাস্য ও বিশৃঙ্খল পরিবেশ কে নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ আইন অনুযায়ী তাদের রাষ্ট্রীয় কর্তব্য পালন করার লক্ষ্যে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ায় এবং অপ্রীতিকর পরিবেশ লক্ষ্য করলে বল প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবেশ নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা করতে গেলেই পরিবেশ পাল্টে যায়, পুলিশ বাহিনী স্বীকার হয় মব আক্রমনের। 

সাধারণ শিক্ষার্থীদের জঙ্গীদের কালো অপ-রাজনীতির সাথে কখনোই পরিচিতি থাকার কথা না জেনেই জঙ্গীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসাবে ব্যাবহার করে। রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে থাকলে জংগীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংগে নিয়ে ভোল্ট পাল্টিয়ে রাস্তায় নামে, জঙ্গী -মুজাহিদরা তাদের অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মিলিত হয় মিছিলে অংশ নেওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে।  সুযোগ বুঝে তারা ব্যাবহার করে তাদের আগ্নেয়াস্ত্র সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যার মাধ্যমে। এখানে উল্লেখ যে যেই গুলিতে পুলিশরা নিহত হন সেইসব গুলি সাধারণত মানুষ তো দুরের কথা, সয়ং পুলিশদের কাছেও থাকার কথা নয়। এই ৭.২ বুলেট ব্যবহার করার এখতিয়ার পুলিশ বাহিনীর নেই। সাধারণ শিক্ষার্থী প্রান হারালে আন্দোলন গতি বেগ পায়। সহপাঠিদের মৃত্যুর উপর ভর করে গভীর ভাবে আবেগী করে তোলা হয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আবেগে রাস্তায় নেমে এসে প্রতিবাদে শামিল হয়। কিন্তু জঙ্গিদের ম্যাটিকূল্যাস ডিজাইন থেমে না গিয়ে প্রপাগান্ডার অংশ হিসেবে দোষারোপ করতে শুরু করে পুলিশ ও দায়িত্বে থাকা সরকারের কিছু গুরুত্ব পূর্ণ ব্যাক্তিদের।  

সরকার পতনের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে তাদের প্রয়োজন ছিলো লাশ, লাশের রাজনীতিতে তারা সর্বদাই এগিয়ে।

জঙ্গি সন্ত্রাসীদের পরিকল্পনা ছিলো আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কে ধংস্ব করে জঙ্গীস্থানের পথ সৃষ্টি করা, সেই লক্ষ্যে পৌছাঁনোর জন্যই টার্গেট করা হয় পুলিশ বাহিনীকে আক্রমন করার মাধ্যমে। পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে হত্যার মাধ্যমে ওরা যাত্রা শুরু করে। পুলিশ সদস্যদের পরিকল্পনা করে হত্যা কান্ড ঘটাতে থাকে বিশেষ দলটির প্রশিক্ষিত জঙ্গীরা ও তাদের আরেকটি রাজনৈতিক সংগঠন এনসিপি ( ন‍্যশনাল সিটিজেন পার্টি)।

বিচার বর্হিভুত পুলিশ হত্যাকান্ডের সাথে সরাসরি জড়িত থাকার কথা প্রকাশ্যে মিডিয়ায় কাছে স্বীকার করে নেন জামাত ও এনসিপির আশ্রিত জঙ্গী  সংসদ সদস্য হান্নান মাসুদ অপকটেই। মুজাহিদদের চীফ অব কমান্ডের আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইঁয়া স্বীকার করে নেন যে সরকার পতন না ঘটলে কি করে দেশে গৃহযুদ্ধ ও সাধারন মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া হতো। একটি স্বাক্ষাতকারে তৎকালীন এই উপদেষ্টা আরও স্বীকার করেন তাদের সুসজ্জিত স্বশস্ত্র বাহিনীর পরিকল্পনার কথা। অন‍্যন‍্য কলামিস্টদের অনেকেই পুলিশ হত্যাকান্ড কে  নিয়ে নানান সময় মন্তব্য করে থাকে।  

স্পষ্ঠভাবে বলা যায় যে একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকান্ডের স্বীকার হয়েছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। জীবন হারানো এসকল পুলিশ সদস্যদের পরিবার আজ বিচার চায় - কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন, প্রাণ হারানোর ভয় তাদের বিচার চাওয়ার স্বাধীনতাকেও কেরে নিয়েছে। 

সারা দেশে পরিকল্পনার অংশ হিসাবে দেশের প্রায় ৪০০ টি থানায় আক্রমন চালানো হয় এবং দায়িত্বরত পুলিশ অফিসার ও সদস্যদের নিমর্ম ভাবে হত্যা করা হয়। যা পরবর্তীতে দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহীনির ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে বিশ্বের কাছে।  

সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার পুলিশ অফিসার ও পুলিশ সদস্যদের হত্যা করা হয়। কোথাও কোথাও পুলিশকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, কোথাও হত্যার পরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, এমন পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ থেকে রেহাই পাইনি পুলিশের নারী সদস্যরাও, এমনকি রেহায় পাইনি প্রাণ ভিক্ষা চাওয়া একজন গর্ভবতী নারি পুলিশ সদস্য।  বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিভৎস অধ্যায় হয়ে থাকবে এই পুলিশ হত্যাকান্ড, যা ইতিহাসের আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের চেয়েও নির্মম ও বর্বর বলে প্রমাণিত হয়েছে। 

৫ ই আগস্ট ২০২৪, বিদেশী ষড়যন্ত্র ও মৌলবাদী জঙ্গীগোষ্টির সম্মিলিত ম্যাটিকূল্যাস ডিজাইনের ফলে সরকারের পতন হয়। রাষ্ট্রপতি ১০৬ নং আর্টিকেল অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের পরামর্শ ক্রমে রাষ্ট্রপতির নির্বাহী বিভাগের কাজে রাষ্ট্রপতিকে সহায়তা করার জন্য নিয়োগ করা হয় কয়েকজন উপদেষ্টাকে। যা মূলত রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা পরিষদ। কিন্তু এই উপদেষ্টাগন সংবিধানকে তোয়াক্কা না করে জঙ্গীদের পুনর্বাসন ও আর্শীবাদকেই আমলে নিয়েছিলেন।  সংস্কারের নামে হাজার হাজার কোটি টাকার পাহারসম বিত্ত বানিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম ও দুর্নীতির প্রমাণ মিলতে থাকে একাধিক বা সকল উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে। দেশের সর্বোচ্চ কেবিনেট যখন এমন দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পরে তখন সামান‍্য পুলিশ হত‍্যার বিচার আশা করাও বিলাসিতা। উপদেষ্টা প্রধান ড. ইউনুস চেয়ারে বসেই পুলিশ হত্যাকান্ডের বিচার হবে না মর্মে একটি কালো অধ্যাদেশ জারি করিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতিকে অঘোষিত বন্দি করে রাখার মাধ্যমে।   

এই রকম অধ্যাদেশ বা ইনডেমনিটির সংগে এদেশের জনগন পূর্ব পরিচিত। তবে আমার মতে ইনডেমনিটির বৈধতা দানের মতো অপকর্ম কেবল বিএনপি চরিত্রেই শোভা পায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এবার তার ব্যাত‍্যয় কি ঘটাতে পারবে তারেক রহমানের বিএনপি? 

বাংলাদেশে ইনডেমনিটি টেকে না সেটা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেশ ভালো করেই জানেন।  তার পিতা জেনারেল জিয়া ৭৫ এর ইনডেমনিটির বৈধতা দান করেন,  অপর পক্ষে তার মা বেগম খালেদা জিয়া ২০০৩ এ RAB এর হত্যাকান্ডের বৈধতা দানে ইনডেমনিটি দান করেছিলেন। দুটো ইনডেমনিটিই পরবর্তীতে অবৈধ ঘোষনা করে সুপ্রীম কোর্ট। 

প্রসঙ্গ আরো ঘনিভূত হয় যখন বিএনপি মহাসচীব,  স্থানীয় সরকার মন্ত্রী পুলিশ হত্যাকান্ডের অনুসন্ধান চলছে বলে জানান, এবং বলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাল্লাউদ্দীন আহম্মেদের আদেশ মান‍্য করেই তদন্ত এগিয়ে যাবে। এদিকে পুলিশ হত্যাকান্ডের তদন্ত ও আইনী ভাবে বিচারের মুখোমুখি হবার তথ্য বাজারে প্রকাশ হলে, সরকারের বিরোধী দলীয় শিবিরে জন্ম নেয় উদ্বেগ।  

সেই উদ্বেগে পানি ঢালতেই কি তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছেন তিনি পুলিশ হত্যাকান্ডের তদন্ত নিয়ে কোন মন্তব্য করেন নি?  

নাকি পেছনে রয়েছে রাজনীতির জটিল সমীকরন?  

বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দীন আহম্মেদ বরাবরই রহস্যময় মানব। রহস্য করে তিনি কি এরিয়ে যেতে চাইছেন সেটা জনগনের সামনে অবশ্যই আসবে তাঁর অন‍্যান‍্য রহস্যময় কর্মকাণ্ডের মতোই। রহস্যজনক ভাবে ২০১৫ সালে  সালাউদ্দীন আহম্মেদের গুম, আবার ভারতের শিংল এ বিলাসবহুল বাড়িতে অবকাশ যাপন যেমন রহস্যে ঘেরা ছিলো তেমনি পুলিশ হত‍্যার বিচার রহস্য বেশ উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে ইতোমধ্যেই।  

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান জুলাই সনদে যে সুরক্ষা আইন ও দায় নির্ধারন অধ্যাদেশ রয়েছে তার আলোকেই ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।  

অথচ এই অধ্যাদেশে রয়েছে বিরাট লুপহোল বা আইনের ফাঁক। অধ্যাদেশটির ৪ নাম্বার ধারায় বলা হয়েছে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহনকারীদের বিরুদ্বে দায়কৃত অভিযোগ বা মামলা প্রত্যাহার করা হবে। 

আবার অধ্যাদেশটির ৫ নাম্বার ধারায় বলা হয়েছে,  ধারা ৪ এর বিধান স্বতেও কোন অভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে হত্যাকান্ডের অভিযোগ থাকিলে তা কমিশনে দাখিল করা যাবে এবং কমিশন অভিযোগ গ্রহন করে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করিবে।

অপর দিকে ৫ এর ৩ নাম্বার ধারাটি জন্মদিয়েছে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়, সেখানে বলা হয়েছে খুনের বদলে দেওয়া হবে আর্থিক ক্ষতিপূরন।  

প্রাণের মূল্য কি ভাবে আর্থিক ভাবে ক্ষতিপূরণ হয় তা জানা নেই।  কোন স্কেলে টাকা’কে মাপলে আর্থিক ক্ষতিপূরন হয় প্রশ্ন উঠতেই পারে সচেতন নাগরিক সমাজে।  

জুলাই সুরক্ষা অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে রয়েছে বড় ধরনে সাংবিধানিক বাঁধা। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৬ সংসদকে ক্ষমতা দিয়েছে দায় মুক্তির আইন করার।  

অপরদিকে সংবিধানের ৩১ ও ৩২ নাম্বার অনুচ্ছেদে উল্লেখ্য আছে জীবনের নিরাপত্তা ন্যায় বিচার পাবার অধিকার খর্ব হয় এমন ইস্যুতে কোন ভাবেই ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি দেওয়া যাবে না।  

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহম্মেদ তো সেই ব্যাক্তি যিনি কথায় কথায় হাঁটতে চান সংবিধান এর দেখানো পথে।  এখন দেশবাসীর কাছে এক গভীর প্রশ্ন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কি অতীতের ন্যায় ইনডেমনিটির কালিমা তারেক রহমান সরকারের কপালে এঁটে দেবেন নাকি সংবিধান অক্ষুন্ন রেখে পুলিশ হত্যাকান্ডের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করবেন?
-- সম্পাদক 

আপনার মতামত জানান :

মন্তব্য করতে লগইন করুন. লগইন

(0)টি মন্তব্য

কেউ মন্তব্য করেনি :)