জানুয়ারি ৩০,২০২৬, ১০:৩৩

শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে ত্বকের ওপরের স্তর থেকে স্বাভাবিকভাবেই পানি দ্রুত উবে যেতে থাকে। পাশাপাশি গরম পানি দিয়ে গোসল, ঘন ঘন সাবান ব্যবহার এবং ঠান্ডা বাতাসের সংস্পর্শে থাকার কারণে ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই প্রাকৃতিক তেলই ত্বককে সুরক্ষা দেয় এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। যখন এই স্তর দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন ত্বক সহজেই শুষ্ক, রুক্ষ ও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। ফলে চুলকানি, জ্বালাপোড়া কিংবা চামড়া ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
শীতকালে ত্বকের যত্নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মৃদু ও কার্যকর ক্লিনজিং। অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত সাবান ও ফেসওয়াশ ত্বককে আরও শুষ্ক করে তোলে। তাই ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার ব্যবহার করাই উত্তম। গোসলের সময় খুব গরম পানির বদলে হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা অনেকটাই বজায় থাকে।
আর গোসলের পরপরই ময়েশ্চারাইজার লাগানো শীতকালীন স্কিন কেয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এ সময় ত্বক হালকা ভেজা থাকায় ময়েশ্চারাইজার সহজেই শোষিত হয় এবং আর্দ্রতা দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে পারে। এ ক্ষেত্রে ভ্যাসলিন ডিপ রিস্টোর সিরাম-ইন-লোশন হতে পারে একটি কার্যকর সমাধান। এতে থাকা ভ্যাসলিন জেলি ও গ্লিসারিন ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লং লাস্টিং ময়েশ্চারাইজেশন নিশ্চিত করে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক থাকে সফট, স্মুথ ও আরামদায়ক, শীতের রুক্ষতা থেকে পায় কার্যকর সুরক্ষা।
সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করলে মৃত কোষ দূর হয় এবং ত্বক আরও মসৃণ ও উজ্জ্বল দেখায়। তবে অতিরিক্ত স্ক্রাবিং ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর নষ্ট করতে পারে, তাই এতে সংযম রাখা জরুরি।
আপনার মতামত জানান :
মন্তব্য করতে লগইন করুন. লগইন
(0)টি মন্তব্য
কেউ মন্তব্য করেনি :)